গৃহবন্দী লাখো শিক্ষার্থীর বিনোদন ও শিক্ষার মাধ্যম হয়ে উঠেছে এনএনও আড্ডা

 

রিড নিউজপেপার, গেইন নলেজ। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল নিউজ পেপার অলিম্পিয়াড। সংবাদ পত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেই মূলত একযোগে সারাদেশে এর বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়।ধীরে ধীরে এটি হয়ে ওঠে সবার প্রিয় একটি অলিম্পিয়াড। বর্তমানে পৃথিবীবাসি এক ভয়ঙ্কর ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছে।করোনায় সবাই হয়ে পড়েছে গৃহবন্দী। কোয়ারেন্টাইনের এই দিনগুলোকে একটু আনন্দদায়ক ও শিক্ষণীয় করে তুলতেই নিউজপেপার অলিম্পিয়াডের ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ এনএনও আড্ডা। প্রতিদিন এনএনও আড্ডায় গেস্ট হিসেবে থাকছেন দেশ-বিদেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিবর্গ।

সম্প্রতি গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার ও একমাত্র বাংলাদেশী পরিচালক জাহিদ সবুর যোগ দেন এনএনও আড্ডায়! আড্ডাটিতে দর্শক ছিল ১ লাখের উপরে। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এনএনও আড্ডা এখন সবার ভালোবাসার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিখ্যাত লেখক কিংকর আহসান, কার্টুনিস্ট অন্তিক মাহমুদ, জাভেদ পারভেজ, ইকবাল বাহারসহ আরও অনেকেই যুক্ত হয়েছিলেন এ আড্ডায়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিরা এই শো তে যোগ দিচ্ছেন।

গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ সবুর বলেনঃ “এনএনও পরিবার অনেক ভালো একটি উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আমি তাদের এ কাজকে সাধুবাদ জানাই।করোনার দিনগুলোতে এরকম অনুষ্ঠান সবাইকে অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করছি।”

এনএনও আড্ডার হোস্ট নুসরাত সায়েম বলেন: “দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব ব্যক্তিবর্গ যাদেরকে টিভির পর্দায় দেখতাম তাদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি এটা আমার কাছে অন্যরকম এক অনুভুতি।মজার মজার সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হচ্ছি প্রতিনিয়ত।কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলোতে এরকম আড্ডা সত্যি সবার ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্টে অনেক কাজে লাগছে।আমি নিজেও অনেক অনুপ্রাণিত হচ্ছি।”

ড্রিমস ফর টুমরোর প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ পারভেজ বলেনঃ “এনএনও সবসময় ব্যতিক্রমী চিন্তা করে।ওদের চিন্তাচেতনায় নতুনত্বের হাতছানি আমাকে মুগ্ধ করে, কাছে টানে বারবার। তাইতো একটু সুযোগ পেলেই ওদের কার্যক্রমে ছুটে আসার চেষ্টা করি। তাদের সাথে যুক্ত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। ইতোমধ্যে বহির্বিশ্বেও তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে। আশা করি ভবিষত্যে তারা আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে।”

এনএনও সভাপতি লাব্বী আহসান বলেনঃ “ঘরে বসেই যাতে সবাই বিভিন্ন কো কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিস এর উপর হাতেখড়ি ও তাদের প্রিয় মানুষদের সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্যই এ আয়োজন। এরফলে দর্শকরা সরাসরি তাদের মনের প্রশ্নগুলো অতিথীদের সাথে শেয়ার করারও সুযোগ পাচ্ছেন। সাংবাদিকতা, লেখালেখি, উপস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং, ড্রয়িং, ফটোগ্রাফীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ের উপর জ্ঞান লাভ করছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও বেশ কাজে লাগছে এই এনএনও আড্ডাটি।”

 

ফাহাদ ফরহাদ, ডেপুটি ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর, রাজশাহী -এনএনও

১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৩ ফেব্রুয়ারি

২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর তারিখ পিছিয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় ১ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এই পরীক্ষা শুরু  হবে।

শনিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পিছিয়ে নেওয়ার কারণে এসএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পরীক্ষার নতুন সময়সূচি আগামীকাল রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি সব কোচিং বন্ধ : শিক্ষামন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধিঃ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি এক মাস সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আসন্ন পরীক্ষা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী সাহাবুদ্দীন আহমেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাপনীর ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করেন।

এ ছাড়া শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলন করে জেএসসি-জেডিসির ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। আর দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন এবং জেএসসি-জেডিসিতে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন।

পিইসি-জেএসসি পাস শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় যারা পাস করেছে, তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি এই পরীক্ষায় জড়িত শিক্ষকদের, অভিভাবকদের এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় শিশুরা লেখাপড়ায় বেশ মনোযোগী। তাদের মেধা বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকাও অনেক। এছাড়া বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজস্ব পদ্ধতিতে সফল পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফলাফল প্রক্রিয়া শেষ করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুই সমাপনীর ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

পরে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাকে একেবারে আধুনিক করতে চাই। শিক্ষকদের প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা দিতে হবে। শিশুদের প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে হবে। আজকের শিশু আগামী দিনে সোনার ছেলে হবে। বড় বড় পদে কাজ করবে।

তিনি বলেন, শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা যেখানে স্কুল নেই, সেখানে স্কুল করে দিচ্ছি। যেখানে যেখানে প্রয়োজন, হিসেব হিসেব করে করে আমরা নতুন স্কুল করে দিচ্ছি। শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকদের বেতনও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। বৃত্তি দিচ্ছি। অনেক মা-বাবা খরচ চালাতে পারে না। তাই সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য দিচ্ছি। ঝরে পড়া কমাতে সাহায্যের পাশাপাশি বিভিন্ন সচেতনতার উদ্যোগ নিচ্ছি। এছাড়া জাতির পিতা মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। আমরা সেটার ধারাবাহিকতা রেখেছি।

তবে শুধু বইপড়া নয়, শিশুদের এর পাশাপাশি খেলাধুলা এবং কারিগরি শিক্ষাও নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা খেলাধুলার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছি। জায়গায় জায়গায় স্টেডিয়াম করে দিয়েছি। আরও করছি। খেলাধুলায় ভালোও করছে শিশুরা। এরা অনেক মেধাবী। আমাদের থেকেও আজকের শিশুরা অনেক মেধাবী। আমাদের সময় এমন ছিল না। এরা ডিজিটাল বিষয়ে অনেক জানে।

শিশুদের নিজের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস জানতে হবে বলেও উল্লেখ করেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা শিশুদের কম্পিউটার শিক্ষার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কারিগরি শিক্ষায়ও তাদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ছোটবেলায় যাতে তারা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে, সে দিকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। যেন তাদের লুকিয়ে থাকা মেধা বিকশিত হয়।

বই উৎসবের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে সারাদেশে বই উৎসব উদযাপন করা হবে ১ জানুয়ারি।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

এর আগে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এরপর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও উপস্থিত ছিলেন।

একই সঙ্গে এ সময় নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানেরা।

প্রাথমিক ও জেএসসির সমাপনীর ফল আজ

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল আজ।

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করবেন। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, প্রধানমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

অন্যদিকে, দুপুর ১টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায়।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন এবং জেএসসি-জেডিসিতে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

১৩ শতবর্ষী সরকারি কলেজ হবে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’

রাজশাহী: দেশের ১৩টি শতবর্ষী সরকারি কলেজ ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সোনার মানুষ প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজে এইচএসসি অ্যালামনাইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

শিক্ষার মান বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষকদের পিছনে বিনিয়োগ করতে হবে। শিক্ষকদের গবেষণার কাজে মনোযোগী হতে হবে। আগামী বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদের উন্নয়ন জরুরি। এজন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

দেশের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী এ রাজশাহী কলেজে ১০ তলা বিশিষ্ট ছাত্রী নিবাস ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণসহ সব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করে বলেন, রাজশাহী কলেজসহ দেশের ১৩টি ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী কলেজকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হবে একটি নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে। এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শিক্ষা পদ্ধতিকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে যেন একসময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরা হয়।

মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে আগামী দিনের শ্রমবাজার দখল করবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রোবট। চতুর্থ শিল্পবিল্পবের এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার দক্ষ মানবসম্পদের ওপর গরুত্ব দিচ্ছে। পরিবর্তিত বিশ্বে আমাদের নতুন নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ জিডিপির ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে, শিক্ষাপদ্ধতি ও মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন এবং শিক্ষার্থীদের সফটওয়্যার স্কিল শেখানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী কলেজ মাঠে কলেজের এইচএসসি অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে মন্ত্রী অতিথিদের সবাইকে নিয়ে অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কেক কাটেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দস, আয়েন উদ্দিন, সংসদ সদস্য ও অ্যালামনাই ঢাকা কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মাহতাব উদ্দীন, রাজশাহী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আবিদা আঞ্জুম মিতা, সাবেক সংসদ সদস্য আখতার জাহান, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম ঠাণ্ডুসহ সাবেক নির্বাচন কমিশন, বিচারপতি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ সরকারি ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

দেশের ১৩টি ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী কলেজকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হবে একটি নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

ঐতিহ্যবাহী এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে রাজশাহী কলেজ। এছাড়া শতবর্ষী কলেজগুলোর মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রামের হাজি মুহম্মদ মহসিন কলেজ, নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজ, বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ, পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, খুলনার ব্রজলাল (বিএল) কলেজ, ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ, রংপুরের কারমাইকেল কলেজ, বাগেরহাটের প্রফুল্লচন্দ্র (পিসি) কলেজ, ও ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ।

গোতাশিয়ায় মরহুম হাজ্বী হাছেন আলী ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়া ইউনিয়ন এর সর্বলক্ষনা গ্রামে মরহুম হাজ্বী হাছেন আলী ফাউন্ডেশন এর ২০১৯ সালের বার্ষিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার।  সকাল ১০.০০ ঘটিকা হতে দুপুর ১২.০০ পর্যন্ত ১ম শিফ্ট এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর পর দুপুর ১২.০০ থেকে বিকাল ৩.০০ পর্যন্ত ২য় শিফ্ট এর পরীক্ষা শান্তি পূর্ন ও শৃঙ্খলার সাথে সর্বলক্ষনা আলিম মাদরাসা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত পরীক্ষা উপলক্ষে শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই সর্বলক্ষনা আলিম মাদরাসা কেন্দ্রে ১৪ টি স্কুলের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দ উপস্থীত হতে থাকেন।গ্রাম্য পুলিশের এবং বৃত্তি পরিচালনা কমিটির সহায়তায়,পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্র থেকে পরীক্ষার্থী ছাড়া সকলকে বের করে দিয়ে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। কেন্দ্র পরির্দশন করেন,১৪ টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ।এ সময় একে একে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন পাঁচকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের সন্মানিত সভাপতি জনাব,আবুল কাশেম মোল্লা।হাজ্বী হাছেন আলী ফাউন্ডেশন এর প্রধান পরীক্ষা পরিদর্শক  এস.আর. মাহফুজ। আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন মাষ্টার, তুশি মটরস এর মালিক জনাব রবিন মিলন।

হাজ্বী হাছেন আলী ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ও গোতাশিয়া ইউঃএর চেয়ারম্যান জনাব, আঃকাদির সাহেব  শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবক দের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। তিনি এ সময় সকল কক্ষ পরিদর্শন করেন ও অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মত বিনিময়,করেন কেন্দ্রসচিব আঃআলী বাবু সাহেবের সাথে কথা বলে যানা যায় এ বছর ১৪ টি স্কুল থেকে  শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করছে। পরীক্ষা পরিদর্শক জনাব এস,আর (মাহফুজ) সাহেব এর সাথে কথা বলে জানা যায়, এবছর পরীক্ষার সিলেবাস একটু গঠন মূলক ও ব্যাতিক্রম হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এ বছর পরীক্ষা ৬ দিন এগিয়ে আনা হয়েছে, তারপর ও স্বল্প সময়ে সব কিছু সঠিক ভাবে যথাসময়ে শেষ করা হয়েছে বৃত্তি পরিচালনা কমিটির সহায়তায়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব সাখাওয়াত হোসেন সাকিল সাহেব এর সাথে কথা বলে জানা যায়। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন ভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশ যখন আজ নকল ও প্রশ্ন পত্র ফাঁস এ প্রশ্নবিদ্ধ তখন আমরা দেখিয়ে দিয়েছি যে সমৃদ্ধ,বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে, সুশিক্ষিত, আদর্শ,জাতি গঠনে মরহুম হাজ্বী হাছেন আলী ফাউন্ডেশন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ,এবং মেধাবীদের পাশে সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় পরীক্ষা শেষে ফটো সেশনের মাধ্যমে শিক্ষক,শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের এ শিক্ষা মিলন মেলা সমাপ্ত হয়।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ।

এদিন সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পঞ্চম শ্রেণি এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সমাপনী পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ওইদিন বই উৎসবেরও উদ্বোধন করবেন।

গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশের ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত হয়েছিল। সারাদেশের সাত হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বহিষ্কৃত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় আজ (মঙ্গলবার)এ তথ্য জানিয়েছেন।