আজ সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

বয়সের ভারে স্মৃতিভ্রম বেড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। দাবি ফক্স নিউজ-এর। সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমটি প্রশ্ন তুলেছে- প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব কে পালন করছেন- বাইডেন নাকি কমলা?

বাইডেন নব গঠিত সরকারের সচিব-আমলাদের নাম বলতে গিয়ে ভুলভাল বলছেন। কোনো কিছুই নাকি মনে রাখতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, অন্যান্য রাজনীতিকের নামও মনে রাখতে পারছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি হোয়াইট হাউজের একাধিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের নাম বলতে গিয়ে ভুল করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন বাইডেন। ৭৮ বছর বয়সে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন তিনি। কিছুদিন ধরে তার মানসিক স্বাস্থ্য, বিশেষ করে স্মৃতিভ্রম নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক হচ্ছে।

সর্বশেষ গত সোমবার হোয়াইট হাউজে এক অনুষ্ঠানে কোনো এক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পেন্টাগন প্রধান লয়েড অস্টিনের নাম বলতে গিয়ে বাইডেন স্মরণ করতে পারেননি। পরে আকার ইঙ্গিতে অস্টিনকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার পর তার স্মৃতিশক্তি নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন স্মৃতিভ্রমে ভুগছেন। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে তার মানসিক যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বুধবার (১০ মার্চ) ফক্স নিউজ প্রশ্ন তুলে বলেছে, তাহলে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব কি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস পালন করছেন?

এমন প্রশ্নের কারণ হিসেবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে কথা বলা ও পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বেশিরভাগ এখন কমলা হ্যারিসই সামলাচ্ছেন, প্রথানুসারে যা করার কথা প্রেসিডেন্টের।

দায়িত্ব নেওয়ার পর গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেই কথা বলেছেন কমলা। সর্বশেষ মঙ্গলবার নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবেগের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় তার।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বেশিরভাগই সামলাচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা। এ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে তিনিই কথা বলছেন।

বুধবার পৃথক এক প্রতিবেদনে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একাকী কথা বলেছেন কমলা। সুতরাং ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়ে কমলা যে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও গভীরভাবে কাজ করছেন, দু’মাসেরও কম সময়ের মধ্যে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে তার একাকী যোগাযোগ সে কথারই প্রমাণ দিচ্ছে। যদিও এক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা একেবারেই ঘরোয়া পর্যায়ের।

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top