আজ শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন


 

রিড নিউজপেপার, গেইন নলেজ। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল নিউজ পেপার অলিম্পিয়াড। সংবাদ পত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেই মূলত একযোগে সারাদেশে এর বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়।ধীরে ধীরে এটি হয়ে ওঠে সবার প্রিয় একটি অলিম্পিয়াড। বর্তমানে পৃথিবীবাসি এক ভয়ঙ্কর ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছে।করোনায় সবাই হয়ে পড়েছে গৃহবন্দী। কোয়ারেন্টাইনের এই দিনগুলোকে একটু আনন্দদায়ক ও শিক্ষণীয় করে তুলতেই নিউজপেপার অলিম্পিয়াডের ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ এনএনও আড্ডা। প্রতিদিন এনএনও আড্ডায় গেস্ট হিসেবে থাকছেন দেশ-বিদেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিবর্গ।

সম্প্রতি গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার ও একমাত্র বাংলাদেশী পরিচালক জাহিদ সবুর যোগ দেন এনএনও আড্ডায়! আড্ডাটিতে দর্শক ছিল ১ লাখের উপরে। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এনএনও আড্ডা এখন সবার ভালোবাসার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিখ্যাত লেখক কিংকর আহসান, কার্টুনিস্ট অন্তিক মাহমুদ, জাভেদ পারভেজ, ইকবাল বাহারসহ আরও অনেকেই যুক্ত হয়েছিলেন এ আড্ডায়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিরা এই শো তে যোগ দিচ্ছেন।

গুগলের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ সবুর বলেনঃ “এনএনও পরিবার অনেক ভালো একটি উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আমি তাদের এ কাজকে সাধুবাদ জানাই।করোনার দিনগুলোতে এরকম অনুষ্ঠান সবাইকে অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করছি।”

এনএনও আড্ডার হোস্ট নুসরাত সায়েম বলেন: “দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব ব্যক্তিবর্গ যাদেরকে টিভির পর্দায় দেখতাম তাদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি এটা আমার কাছে অন্যরকম এক অনুভুতি।মজার মজার সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হচ্ছি প্রতিনিয়ত।কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলোতে এরকম আড্ডা সত্যি সবার ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্টে অনেক কাজে লাগছে।আমি নিজেও অনেক অনুপ্রাণিত হচ্ছি।”

ড্রিমস ফর টুমরোর প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ পারভেজ বলেনঃ “এনএনও সবসময় ব্যতিক্রমী চিন্তা করে।ওদের চিন্তাচেতনায় নতুনত্বের হাতছানি আমাকে মুগ্ধ করে, কাছে টানে বারবার। তাইতো একটু সুযোগ পেলেই ওদের কার্যক্রমে ছুটে আসার চেষ্টা করি। তাদের সাথে যুক্ত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। ইতোমধ্যে বহির্বিশ্বেও তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে। আশা করি ভবিষত্যে তারা আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে।”

এনএনও সভাপতি লাব্বী আহসান বলেনঃ “ঘরে বসেই যাতে সবাই বিভিন্ন কো কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিস এর উপর হাতেখড়ি ও তাদের প্রিয় মানুষদের সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্যই এ আয়োজন। এরফলে দর্শকরা সরাসরি তাদের মনের প্রশ্নগুলো অতিথীদের সাথে শেয়ার করারও সুযোগ পাচ্ছেন। সাংবাদিকতা, লেখালেখি, উপস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং, ড্রয়িং, ফটোগ্রাফীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ের উপর জ্ঞান লাভ করছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও বেশ কাজে লাগছে এই এনএনও আড্ডাটি।”

 

ফাহাদ ফরহাদ, ডেপুটি ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর, রাজশাহী -এনএনও

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top