আজ শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

চীনে মহামারী রূপ নিয়েছে চীন। এরই মধ্যে এই ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ শতাধিক। আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ হাজার মানুষ।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ইতোমধ্যে চীনের বাইরে কমপক্ষে ২৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

এমন অবস্থায় করোনাভাইরাস আতঙ্কে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অন্তত ৮টি প্লেন যাত্রীসহ ‘অবরুদ্ধ’ করার ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো থেকে যাওয়া ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। প্লেনটির এক যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়ায় বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরেও বেশকিছু সময় নামতে দেয়া হয়নি কাউকেই।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে আটজন রয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ায়। এ অঙ্গরাজ্যটির সান ফ্রান্সিসকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়েও চীন থেকে মার্কিন নাগরিকদের ফেরানো হয়েছে।

শুক্রবার ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছার পর এর ক্যাপ্টেন যাত্রীদের নিজ নিজ আসনে বসে থাকতে বলেন। তিনি জানান, বিমানবন্দরে থাকা আরও সাতটি প্লেনে সম্ভাব্য করোনা-রোগী থাকায় তাদের আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।

অ্যান্ডি ওয়েস্ট নামে এক ব্রিটিশ যাত্রী জানান, ক্রুরা এক অসুস্থ যাত্রীকে প্লেনের পেছনের দিকে নিয়ে যান। এসময় তাদের কারও কাছেই প্রতিরক্ষামূলক মাস্ক বা গ্লাভস ছিল না। তারা বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এর আধা ঘণ্টা পর তাদের প্লেন থেকে নামতে দেয়া হয়।

তিনি জানান,প্লেনের সব যাত্রীকেই একটি ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়। সেখানে সাম্প্রতিক ভ্রমণ, শারীরিক অবস্থা, যোগাযোগের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হয়েছে।

ইউনাইটেড বাদে বাকি সাতটি প্লেনের যাত্রীদের সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে হিথ্রো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি। তবে বিমানবন্দরটিতে যথারীতি প্লেন ওঠানামা চলছে।

যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত নয়জনের শরীরে নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। গত বুধবার লন্ডনে এক ব্যক্তির শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস পাওয়ার পর থেকে শহরটিতে ‘রেড অ্যালার্ট’ চলছে।

বিশ্বের অন্তত ২৮টি দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। শুক্রবার পর্যন্ত এ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৫২৬ জন। এর মধ্যে তিনটি বাদে সবগুলো মৃত্যুর ঘটনাই ভাইরাসের উৎস চীনে। সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট, ডেইলি মেইল, সিএনএন

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top