আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

রাজধানী পল্লবী থানায় নিয়ে জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হোসেন। তিনি এ মামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য শেষে তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী।

পরে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে ২১ জন আদালতে সাক্ষ্য দিলেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- পল্লবী থানার তৎকালীন এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজরুল, সোর্স সুমন ও রাসেল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তখন জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন আবার এসে আগের মতো আচরণ করেন। তখন জনি ও তার ভাই তাকে (সুমন) চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে।

থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।

২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদ, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top