আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাম্প্রতিক সময়ে পেঁয়াজের ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিকে ‘বিপদ’ হিসেবে তুলনা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, ‘এ বছর আমাদের কষ্ট হয়েছে। আমাদের বিপদ গেছে ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। এই বিপদ থেকে আমাদের বড় কাজ হবে শিক্ষা নেওয়া।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন পথ হলো পেয়াঁজের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়া। আমরা সেদিকে লক্ষ্য রাখছি। দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে আমাদের যেন কারও কাছে থেকে আমদানি না করতে হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে।’

আজ শনিবার রাজধানীতে এক হোটেলে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কথাগুলো বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে নতুন দেশি পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে আসা শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি এও বলেছেন, আগামী ছয় দিনের মধ্যে কম করে হলেও ১২ হাজার টন পেঁয়াজের বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি বলেন, বছরের এ সময়টায় প্রতি মাসে এক লাখ টন করে পেঁয়াজ আমদানি আমদানি হতো। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আমদানি হয়েছে ২৪ থেকে ২৫ হাজার টন করে। ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম আমদানি ৭৫ হাজার টনের মতো। মন্ত্রী বলেন, মিসর থেকে উড়োজাহাজে আমদানি করতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দর ২০০ টাকার বেশি পড়ছে। ওই পেঁয়াজ সরকার ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছে।

টিপু মুনশি বলেন, আমাদের ২৫ শতাংশ আমদানি করতে হয়। এই ২৫ শতাংশের ৯০ ভাগ পেঁয়াজ আসে ভারত থেকে। ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। যে দেশের দিকে আমরা নির্ভর করেছিলাম সেটা প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। এরপর থেকে আমরা নতুন করে আমদানির চেষ্টা করলাম। আমরা সাথে সাথে লোক পাঠালাম তুরস্ক, মিসর ও মিয়ানমারে। মিয়ানমার থেকে কিছু কিছু আসতে শুরু করল।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। ১০ দিনের মধ্যে সমস্ত পেঁয়াজ উঠে যাবে। আর খুব বেশি সময় না। আশা করি ১০ দিনের মধ্যে আমাদের সমস্ত পেঁয়াজ উঠে যাবে।’

টিপু মুনশি বলেন, এখন মিয়ানমারে পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা। ভারতের মহারাষ্ট্রে যেখান থেকে আমরা আমদানি করি সেখানে দাম ১০০ রুপি। অর্থাৎ আমাদের টাকার হিসাবে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা। পেঁয়াজের দাম সারা বিশ্বে বাড়ছে।

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top