আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৩৩ অপরাহ্

শিরোনাম

জিয়াউর রহমান জিয়া , চিলমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

বিভিন্ন অনিয়ম , অনুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার সাথে অসদাচারন ও মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে অন্তরায় চিহ্নিত করে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার কালিকাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই বির্তকিত প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করার জন্য বিভাগীয় উপ পরিচালক ,প্রাথমিক শিক্ষা, রংপুর বিভাগ বরাবরে সুপারিশ পাঠিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম। গত ০৭-১১-২০১৯ ইং তারিখ কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে জেপ্রাশিঅ/কুড়ি/২০১৯/২৩৩১ স্মারকে প্রেরীত অফিস পত্রে বলা হয়েছে , মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমানে উক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদ অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছেন।

বিভাগীয় মামলা রুজু করার জন্য তিনি তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রামাণ্য রেকর্ডপত্র সুপারিশসহ পাঠান। উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ শাখাওয়াৎ হোসেন জানান, তিনি অষ্টমীরচর, রাণীগঞ্জ এবং নয়ারহাট ইউনিয়নের ক্লাষ্টারের দায়িত্বে আছেন। তিনি বলেন, স্কুলটির জন্য বিভিন্ন খাতের বরাদ্ধের ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মধ্যে ২০ হাজার টাকারও কাজ করা হয়নি। উক্ত প্রধান শিক্ষক সপ্তাহে ৩-৪ দিন পর একদিন হঠাৎ স্কুলে উপস্থিত হয়ে উপিস্থিতি খাতায় প্রতিদিন উপস্থিতির স্বাক্ষার করেন।

তিনি স্কুলে না এসে, স্কুল সময়ে কেচিং সেন্টারে যান এবং প্রাইভেট টিউশনি করেন। তিনি আরও বলেন গত ২৩-০৯-২০১৯ ইং তারিখে স্কুলটি পরিদর্শন শেষে অর্থ ব্যায়ের বিষয়টিসহ প্রধান শিক্ষকের বিধি বর্হিভূত আচরন ও অনিয়ম সমূহ পরিদর্শন বহিতে লিপিবদ্ধ করার সময়, প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ভাবে সকল শিক্ষক কর্মচারীর সামনে অপমান করার চেষ্টা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু সালেহ সরকারের মুখোমুখি হলে তিনি প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদের বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগের সত্যতা রয়েছে স্বীকার করে বলেন, তিনি নিজে স্কুলটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখেছেন , প্রাক প্রাথমিকের ১০ হাজার টাকা বরাদ্ধ থেকে ২,৮৫০/= টাকা, রুটিন মেইনটেনেন্সের ৪০ হাজার টাকা বরাদ্ধের মধ্যে ৬ হাজার টাকা, স্লিপ এর ৭০ হাজার টাকা বরাদ্ধের মধ্যে ৩৫০/= টাকা এবং মাইনর মেরামতের ২ লক্ষ টাকা বরাদ্ধে থেকে মাত্র ২৭ হাজার টাকা ব্যয় করার প্রমাণ তিনি পেয়েছেন।এবং বাকী টাকার কোন হদিস পাননি। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিনি কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন ?- জানতে চাইলে তিনি বলেন, উক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে অভিযোগ পত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,কুড়িগ্রাম বরাবরে পাঠিয়েছিলেন ।

তার প্রেক্ষিতেই জেলা প্রাথমিক অফিসার ০৭-১১-২০১৯ তারিখে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সুপারিশ করেছেন।

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top