শিরোনাম
  সাংবাদিক মোত্তালিব সরকারের পিতার ইন্তেকাল!       রাজশাহীতে করোনায় আক্রান্ত ২০০, সুস্থ ৫৩       বদলগাছীতে মাঝরাতে বাড়িতে ঢুকে গৃহকর্তাকে হত্যার চেষ্টা আটক ১       রাজশাহীতে ওয়ার্কাস পার্টির সহায়তায় ৬৫০ শ্রমিক পেলেন খাদ্যসামগ্রী       বিসিক শিল্প-মালিক সমিতির সভাপতি লিয়াকত, সম্পাদক মালেক       নাটোরে ভেজাল গুড়ের কারখানায় র‌্যাবের অভিযানে জরিমানা       সাপাহার থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকী প্রদানকারী মিনি আটক       পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগকে করোনার সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করল ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন       নওগাঁয় বিদ্যুৎস্পৃষ্টের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু       স্ত্রীর পা ধরে কান্নাকাটি যুবকের, ছবি ভাইরাল    

আজ বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৪৯ অপরাহ্

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুষ্ঠরোগীদের অবহেলা না করে সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, কুষ্ঠরোগীদের দেখে দূর-দূর ছেই ছেই করবেন না। তাদের আলাদা করে রাখবেন না। এটা অভিশাপ নয়, চিকিৎসা দিলে এরাও ভালো হয় এবং সুস্থ জীবনে ফিরে যায়। এটা আমি প্রমাণ করেছি। কুষ্ঠরোগীদের সেবা দেয়া, সহায়তা করা এবং সহানুভূতির সঙ্গে তাদের দেখার জন্য অনুরোধ জানাই।

বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কুষ্ঠরোগ মুক্ত করার বিষয়ে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তদের মানবিকভাবে দেখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তাদেরকে সামাজিকভাবে সহাবস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
একই সঙ্গে এই রোগের চিকিৎসার ওষুধ দেশীয় কোম্পানিকে উৎপাদন এবং বিনামূল্যে বিতরণের আহ্বানও জানান তিনি।

ক্ষমতায় আসার আগেই কুষ্ঠরোগীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে নিজের উদারহণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমার স্বামীর চাকরির সুবাদে আমি যখন মহাখালী কোয়াটারে থাকতাম তখন সেখানে বেশ কিছু কুষ্ঠরোগী আসতো। আমি তাদের খেতে দিতাম এবং টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করতাম। আবার যখন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলাম এবং মিন্টো রোডে বসবাস করতাম তখনও সেখানে কুষ্ঠরোগী যেত। তাদেরও সাহায্য করতাম। প্রথম প্রথম অনেকে তাদের কাছে যেত না, তারপর আমি যখন যাওয়া শুরু করলাম তখন সবাই যাওয়া শুরু করল। তখন থেকেই ভাবতাম কোনোদিন ক্ষমতায় গেলে কুষ্ঠরোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর এই কুষ্ঠরোগীদের জন্য গাজীপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প করা হলো। ৭০টি পরিবারকে সেখানে আশ্রয় দেয়া হলো। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও অনেকে এগিয়ে এল। সেখানে বসবাস করা অনেকেই এখন রোগমুক্ত হয়েছে। তারা এখন সমাজের অন্য মানুষের সঙ্গে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। তাদের এখন আর ভিক্ষাবৃত্তি করতে হচ্ছে না। তারা এখন আর অবহেলার পাত্র নয়।

”২০৩০ সাল লাগবে না তার আগেই আমরা বাংলাদেশকে কুষ্ঠরোগ মুক্ত করব ইনশাআল্লাহ”, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

0Shares

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top