আজ শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:২৯ অপরাহ্

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে কেউ নিরাপদ না। এটা একটা সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সমাজকে বিভক্ত করে ফেলেছে। তিনি বলেন, সবাইকে রাস্তায় নামতে হবে। হতাশ হলে চলবে না। প্রতি রাতের পরই নতুন সূর্য ওঠে।

আজ রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত এক সেমিনারে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে যারা শারীরিকভাবে দুর্বল তারা সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ। দুই মাসের শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বৃদ্ধা অথবা অথবা তরুণ, যুবক, ভাই, বাবা কেউ নিরাপদ না। বাংলাদেশ আসলে একটা সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই নারী, শিশু ও দুর্বলদের ওপর অত্যাচার চলছে।

বিএনপি মহাসচিব সাগর-রুনি হত্যাকারীদের ধরতে না পারার সমালোচনা করেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ তারা সমাজকে বিভক্ত করে ফেলেছে এবং দূষিত করে ফেলেছে। ভয়ে এখন কেউ কথা বলতে চায় না। স্বাধীনতা যুদ্ধের পরও এ ধরনের অবস্থা হয়েছিল। তবে তখনো বিচার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু এখন হাইকোর্টে যাওয়া যায় না এবং গেলেও কোনো লাভ হয় না।

প্রধান বিচারপতিকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়। তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলেও প্রাণের ভয়ে পালিয়ে যেতে হয়। সেই দেশে কীভাবে আশা করি যে মানুষের মর্যাদা থাকবে? শিশুর নিরাপত্তা থাকবে? নারীর মর্যাদা থাকবে? সমাজটাকেই আওয়ামী লীগ ধ্বংস করে দিয়েছে।

এটাই তাদের বড় অপরাধ এবং এ জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান নিগৃহীত হলে রাষ্ট্রও নিগৃহীত হয়। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে আওয়ামী লীগ ধ্বংস করে দিয়েছে। সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রশাসন, বিচার বিভাগ দলীয়করণ এবং গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল- এমন কথার সমালোচনা করে বলেন, দেশ এখন সন্ত্রাসের রোল মডেল, তারা নারী-শিশু ধর্ষণের রোল মডেল, দুর্নীতির রোল মডেল।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, টাকা বানানো একটা রোগ। এর জবাবে ফখরুল বলেন, এ রোগে আওয়ামী লীগই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত।

সৌদি আরবে নারী শ্রমিকদের নির্যাতন নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, গ্রামের জোতদারদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মিল রয়েছে।

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top