আজ শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:০২ অপরাহ্

মোঃ মোমিনুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনকে বহনকারী গাড়িতে জ্বালানি (ডিজেল) দেননি পেট্রল পাম্প শ্রমিকরা। ০১ ডিসেম্বর (রোববার) সকালে জেলা শহরের চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, ঠাকুরগাঁও সফর শেষে রোববার সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন এমপি রমেশ চন্দ্র সেন। তাকে বহনকারী গাড়ি দুটি শহরের চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নেয়ার জন্য গেলে জ্বালানি না দিয়েই ফিরিয়ে দেন পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা।

এ সময় গাড়িতে বসা ছিলেন এমপি রমেশ চন্দ্র সেন। এমপির গাড়িতে ডিজেল না দেয়ার কারণ জানতে চাইলে পাম্পে কর্মরত শ্রমিক অটল রায় বলেন, পেট্রল পাম্প মালিকের নির্দেশে সব ধরনের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছি আমরা। শুধু এমপি নন, কোনো গাড়িতেই জ্বালানি দিচ্ছি না।

বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ঠাকুরগাঁওয়ের সভাপতি এনামুল হক নয়া বলেন, ইতোপূর্বে সরকারের কাছে আমাদের বিভিন্ন দাবি জানিয়েছি। কিন্তু সরকার শুধু আশ্বাস দিয়েছে, বাস্তবায়ন করেনি। এবার ১৫ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট কর্মসূচি চলবে।

জানা যায়, বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের ডাকা ধর্মঘটে সাড়া দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলার ৩২টি পাম্পের জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। ধর্মঘটের ফলে একদিকে যেমন বিপাকে পড়েছেন গাড়ি চালকরা অন্যদিকে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ধর্মঘট চলমান থাকলে ঠাকুরগাঁওয়ের সঙ্গে রংপুরের যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করছেন গাড়িচালকরা। পাশাপাশি বোরো মৌসুম ও শীতকালীন সবজি চাষের সময়ে জ্বালানি তেল না পেলে জমিতে সেচকাজ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

এদিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেট্রল পাম্প শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরু হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন জ্বালানি ব্যবহারকারীরা। জ্বালানি নিতে এসে খালি হাতে ফিরে গেছেন অনেকেই। তবে কিছু কিছু গ্রামের দোকান গুলোতে উচ্চ দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top