শিরোনাম

আজ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:০৫ অপরাহ্

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥

হবিগঞ্জ বিআরটিএ অফিসে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ৩ দালালকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দূর্নীতির নিরাপদ আখড়ায় পরিণত হয়েছে হবিগঞ্জ বিআরটিএ অফিস। দালালদের খপ্পড়ে পড়ে বহু সেবাপ্রার্থী মানুষ হচ্ছেন চরম হয়রানীর শিকার।

সম্প্রতি বিষয়টি নজরে আসে হবিগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের। উল্লেখিত সময়ে তিনি বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন বিআরটিএ অফিসে।

এ সময় তিনি ৩ দালালকে হাতে-নাতে আটক করেন। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসির হোসেন শামীম আটককৃতদের মধ্যে ২ জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হল, কিশোরগঞ্জ জেলার মিটামইন উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের জহর আলীর পুত্র রেজাউল হাই চৌধুরী পান্নু ও নবীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের সুকুমার সরকারের পুত্র সুকেশ চন্দ্র সরকার। এছাড়াও আটক নাসির উদ্দিনের কাছ থেকে ২ শত টাকা জরিমানা আদায় করে বিআরটিএ’র পরিদর্শক সরফুদ্দিন আকন্দের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে বিআরটিএ’র পরিদর্শক সরফুদ্দিন আকন্দ ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, অফিসে কাজের চাপ বেশি থাকায় নাসির উদ্দিনকে কমিশনে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। নাসির উদ্দিন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার জগতপুর গ্রামের তাহির আলীর পুত্র। অভিযান পরিচালনার সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়াসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে সহযোগীতা করেন সদর থানার এসআই সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ।

এদিকে, বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ নানা বিষয়ে সেবাপ্রার্থী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে চরম হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের ইনাতাবাদ এলাকার সিএনজি চালক বাচ্চু মিয়া অভিযোগ করে জানান, লাইসেন্সের জন্য উপযুক্ত কাগজপত্র ও অতিরিক্ত টাকা দিয়েও তিনি মাসের পর মাস হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। দালালরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। ভোক্তভূগীদের অভিযোগ কর্মকর্তাদের যোগসাজসেই দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠছে

 
 
 

আরও পড়ুন

 

Top