শিরোনাম

আজ শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির ১৫টি মামলা আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু আজকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কেন রায় হলো? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক-এগারোর সরকার ১৫টি মামলা করে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি দুর্নীতির সে মামলা গুলো আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে নেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ কথা বললেন।

তিনি সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সমাবেশে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ কথা বলেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আজকে দুই কোটি টাকার জন্য খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের সাজা হলে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির জন্য কত বছর জেল হবে? শেয়ারবাজার, হলমার্ক, বিছমিল্লাহ গ্রুপের কেলেঙ্কারির জন্য কতবছর সাজা হবে? বিচারের হাত থেকে বাঁচার জন্যই এসব লুটেরা দুর্নীতিবাজরা চায় বর্তমান সরকার আবারও ক্ষমতায় থাকুক।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘মিথ্যা, সাজানো ও বানোয়াট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালোদা জিয়াকে সাজা দিয়ে চোরাবালির গভীরে আটকে গেছে সরকার। খুনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তরা জামিন পেলেও খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। অনেক খুনের আসামির আপিল গ্রহণের সঙ্গেসঙ্গেই জামিন হচ্ছে কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিনের ক্ষেত্রে অহেতুক নথির কথা বলা হচ্ছে।’

বিএনপির নেতা আরো বলেন, ‘বিগত দিনে সেনা সরকারের সময় শুধু খালেদা জিয়া নয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তার দলের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়েছিল। তাদের মামলা প্রত্যাহার করা হলেও খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলাগুলো সচল রাখা হয়েছে শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলকভাবে।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘খালেদা জিয়া সরকারে সব অন্যায় অত্যাচারের প্রতিবাদ করেন, গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন তাই বর্তমান সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি।’

নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সংগঠনের সভাপতি জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে নার্সেস সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবসহ আরও অনেকে।

Share on Facebook Share on Twitter

আরও পড়ুন